দেশের ফুটবলকে বাঁচাতে সিন্ডিকেটকে কবর দিতে হবে

 [দেশের ফুটবলের চলমান সিন্ডিকেট নির্মূল/নিয়ন্ত্রণে আনতে যা করা আবশ্যিক]


1️⃣ ন্যাশনাল টিমের হেড কোচ অবশ্যই এশিয়ান লেভেলের হতে হবে।। যার এশিয়ান কাপে নিয়মিত কোচিং করানোর অভিজ্ঞতা আছে এমন প্রোফাইল যুক্ত হেড কোচ নিয়োগ দিতে হবে।।


2️⃣ ন্যাশনাল টিমের কোচিং স্টাফদের মধ্যে কোনো দেশীয় কাউকে রাখা যাবে না।। অর্থাৎ হেড কোচ, সহকারী কোচ, ফিটনেস কোচ, টেকনিক্যাল কোচ, গোলকিপিং কোচ অবশ্যই অবশ্যই বিদেশী এবং নিউট্রাল(দেশীয় ক্লাবের না হওয়া) হতে হবে।।


3️⃣ ন্যাশনাল টিমের টিম ম্যানেজমেন্টে দেশীয় ক্লাবের ক্লাব সংশ্লিষ্ট কাউকে রাখা যাবে না।।


4️⃣ নিরপেক্ষ তদন্ত কমিটি গঠন করে মার্চ উইন্ডোতে বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগ ফুটবলে সেরা খেলোয়াড়রা কেন জাতীয় দল থেকে বাদ পড়লো তার রিপোর্ট দিতে হবে।। এই তদন্ত কমিটিতে ক্লাব সংশ্লিষ্ট কাউকেই রাখা যাবে না।।


5️⃣ বাফুফের ডিসিপ্লিনারি কমিটিতেও ক্লাব সংশ্লিষ্ট কাউকে না রেখে নতুন কমিটি গঠন করে জাতীয় দলের ক্লাব সিন্ডিকেট এবং দলের ভিতরকার ফুটবলারদের(যেমন সাদ, সোহেল সিনিয়র, চন্দনদের) চলমান সিন্ডিকেট তদন্ত করে রিপোর্ট প্রদান করতে হবে।। 


6️⃣ তদন্ত কমিটির নিরপেক্ষতার স্বার্থে বাংলাদেশ ফুটবলের একনিষ্ঠ ফ্যানবেজদের প্রতিনিধি উভয় তদন্ত কমিটিতে থাকতে হবে।।


7️⃣ তদন্ত শেষে রিপোর্ট অনুযায়ী জাতীয় দলের চলমান ক্লাব সিন্ডিকেট এবং প্লেয়ারদের ভিতরকার সিন্ডিকেটে যারা অভিযুক্ত প্রমাণিত হবে বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশন তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।।


8️⃣ ক্লাব সিন্ডিকেট প্রমাণিত হলে সংশ্লিষ্ট ক্লাবকে প্রিমিয়ার লীগ ফুটবল থেকে ২ মৌসুমের নিষেধাজ্ঞা এবং ১০ কোটি টাকার অর্থ দন্ড দিতে হবে।।


9️⃣ জাতীয় দলের ফুটবলারদের মধ্যে যারা সিন্ডিকেটের সাথে জড়িত তাদের নূন্যতম ৩ বছর সব ধরনের খেলাধুলা থেকে নিষিদ্ধ করতে হবে।।


আমাদের এই ৯ দফা দাবি অফিসিয়ালি কার্যকর করতে হবে।। না হলে দেশের ফুটবল বাঁচাতে এবং সিন্ডিকেট নির্মূল করতে বাফুফেকে কঠোর আন্দোলনের সম্মুখীন হতে হবে এবং এক পর্যায়ে রাষ্ট্রীয় হস্তক্ষেপের কারনে ফিফা থেকে নিষেধাজ্ঞা আসবে।।।